বিভাগ: প্রশ্ন ও উত্তর

মাইক্রন বা মাইক্রোমিটার কি?

মাইক্রন বা মাইক্রোমিটার হচ্ছে দৈর্ঘ্যের অতি ক্ষুদ্র এক ধরনের একক। সাধারণত জীবকোষ, আলো বা তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মত অত্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য প্রকাশ করতে এ একক ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোমিটারের মাধ্যমে সূক্ষ্মভাবে দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়। ১ মাইক্রন বা মাইক্রোমিটার = ১ মিলিমিটারের ১ হাজার ভাগের একভাগ কিংবা ১ মাইক্রন বা মাইক্রোমিটার = ১ মিটারের… বাকি অংশ

নারীর নিতম্বে এত আগ্রহ কেন পুরুষের?

বাণিজ্যিকতার এ যুগে নারীর নিতম্ব যেন পণ্যের প্রচারের এক মোক্ষম অস্ত্র। তা সেটি জিন্সের প্যান্ট থেকে শুরু করে অনেক কিছুর ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। আবার নিতম্ব বা পাছার আকার সুন্দর করতে প্লাস্টিক সার্জারিও হচ্ছে দেশে দেশে। কিন্তু নিতম্ব কেন সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হয়ে উঠলো, আর পুরুষেরই বা নারীর নিতম্বে এত আগ্রহ কেন? এ প্রশ্নের উত্তর… বাকি অংশ

বিকিরণ কি?

তাপ সঞ্চালনের যে তিনটি উপায় রয়েছে তার একটি হচ্ছে বিকিরণ। জ্বলন্ত চুল্লীর পাশে দাঁড়িয়ে আমরা যে তাপ অনুভব করি তা চুল্লী থেকে বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। আবার সূর্য থেকে যে তাপ আমরা পাই তা-ও বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। বিকিরণ প্রক্রিয়ায় যে কেবল তাপের প্রবাহ ঘটে তা নয়, আলোও বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য… বাকি অংশ

আলো আসলে কি, কণা নাকি তরঙ্গ?

এ প্রশ্ন শত শত বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ভাবিয়েছে। আলো কণা এবং তরঙ্গ, দুটো তথ্যই সঠিক। অনেকটা অন্ধের হাতি দেখার মত। হাতি পাথরের মত, কুলার মত, গাছের মত, সাপের মত, সবই সত্য। আলো আসলে কি তা নির্ভর করছে আপনি কিভাবে দেখছেন তার ওপর। বিজ্ঞানী নিউটন আলোকে কণা হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন, এর ভিত্তিতে আলোর প্রতিসরণ এবং প্রতিফলনের… বাকি অংশ

বৈদ্যুতিক বাল্বে কেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস দেয়া হয়, কিংবা বায়ুশূন্য রাখা হয়?

বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরি হয় টাংস্টেন ধাতু দিয়ে। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি উত্তপ্ত হয়ে উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করতে শুরু করে। এ সময়  (উচ্চ তাপমাত্রায়) অক্সিজেনের সংস্পর্শ পেলে এটি পুড়তে শুরু করে। এটি প্রতিহত করতে বায়ুশূন্য বাল্ব প্রয়োজন হয়। নিষ্ক্রিয় গ্যাস ভরে দিলেও চলে। মহাশূন্যে তো অক্সিজেন নেই, সেখানে কি হবে? মহাশূন্যে অক্সিজেন… বাকি অংশ

তত্ত্ব কি?

বলা যায় হাইপোথিসিস থেকে তত্ত্ব বা থিওরি জন্ম নেয়। কোন ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে হাইপোথিসিসের জন্ম হয়। আর হাইপোথিসিসের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সেটি তত্ত্বে পরিণত হয়। এসব প্রমাণ যোগাড়ে বিজ্ঞানীদের বছরের পর বছর লেগে যেতে পারে। তবে তত্ত্ব যে বদলায় না তা নয়। নতুন নতুন পর্যবেক্ষণ তত্ত্বকেও বদলে দিতে পারে এমনকি বাতিল করে… বাকি অংশ

হাইপোথিসিস কি?

বিজ্ঞানের নানা আলোচনায় সূত্র, তত্ত্ব, হাইপোথিসিস বা প্রকল্পের কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। অনেকসময় এদের একই মনে হলেও আসলে তা নয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রথম ধাপ হচ্ছে হাইপোথিসিস, অনেকে একে শিক্ষিত লোকের অনুমানও বলে থাকেন। তবে এর সাথে জড়িয়ে থাকে পর্যবেক্ষণ এবং অতীতে অর্জিত জ্ঞান। কোন ঘটনা নজরে আসার পর সেটির একটি ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন হয়।… বাকি অংশ

সূত্র কি?

বিজ্ঞানের আলোচনায় সূত্র বা Law হচ্ছে ঘটনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি বিবরণ। যেমন নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: এখানে, m1, একটি বস্তুর ভর m2, অন্য একটি বস্তুর ভর r, বস্তু দু’টির মধ্যকার দূরত্ব G, মহাকর্ষ ধ্রুবক F, বস্তু দু’টির মধ্যকার আকর্ষণ বল সপ্তদশ শতকে বিজ্ঞানী নিউটন সূত্রটি দিয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন মহাবিশ্বের সবকিছুই পরস্পরকে… বাকি অংশ

বিএমআই (BMI) বা বডি মাস ইনডেক্স কি?

স্থূলতা ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, স্ট্রোকসহ নানা ঝুঁকি তৈরি করে। তাই কেউ স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন কিনা সেটি নির্ধারণ করতে  বিশেষ এক ধরনের পরিমাপ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় যেটি বিএমআই (BMI) বা বডি মাস ইনডেক্স নামে পরিচিত। বি এম আই (BMI) নির্ণয় কিলোগ্রামে নির্ণয় করা ওজনকে (ভর) মিটারে নির্ণয় করা উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করতে হবে। ওজন ও… বাকি অংশ

আইসোটোন কি?

যে সব পরমাণুর (নিউক্লাইডের) প্রোটন সংখ্যা আলাদা কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা একই তাদের পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়। 36S, 37Cl, 38Ar, 39K এবং 40Ca পরস্পরের আইসোটোন। এদের সবার নিউক্লিয়াসে ২০ টি করে নিউট্রন রয়েছে যদিও এদের প্রোটন সংখ্যা যথাক্রমে ১৬, ১৭, ১৮, ১৯ এবং ২০। আইসোটোন আলাদা মৌলের পরমাণু। আরও দেখুন: আইসোটোপ… বাকি অংশ