বিভাগ: প্রশ্ন ও উত্তর

আলো আসলে কি, কণা নাকি তরঙ্গ?

এ প্রশ্ন শত শত বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ভাবিয়েছে। আলো কণা এবং তরঙ্গ, দুটো তথ্যই সঠিক। অনেকটা অন্ধের হাতি দেখার মত। হাতি পাথরের মত, কুলার মত, গাছের মত, সাপের মত, সবই সত্য। আলো আসলে কি তা নির্ভর করছে আপনি কিভাবে দেখছেন তার ওপর। বিজ্ঞানী নিউটন আলোকে কণা হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন, এর ভিত্তিতে আলোর প্রতিসরণ এবং প্রতিফলনের… বাকি অংশ

বৈদ্যুতিক বাল্বে কেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস দেয়া হয়, কিংবা বায়ুশূন্য রাখা হয়?

বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরি হয় টাংস্টেন ধাতু দিয়ে। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি উত্তপ্ত হয়ে উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করতে শুরু করে। এ সময়  (উচ্চ তাপমাত্রায়) অক্সিজেনের সংস্পর্শ পেলে এটি পুড়তে শুরু করে। এটি প্রতিহত করতে বায়ুশূন্য বাল্ব প্রয়োজন হয়। নিষ্ক্রিয় গ্যাস ভরে দিলেও চলে। মহাশূন্যে তো অক্সিজেন নেই, সেখানে কি হবে? মহাশূন্যে অক্সিজেন… বাকি অংশ

তত্ত্ব কি?

বলা যায় হাইপোথিসিস থেকে তত্ত্ব বা থিওরি জন্ম নেয়। কোন ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে হাইপোথিসিসের জন্ম হয়। আর হাইপোথিসিসের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সেটি তত্ত্বে পরিণত হয়। এসব প্রমাণ যোগাড়ে বিজ্ঞানীদের বছরের পর বছর লেগে যেতে পারে। তবে তত্ত্ব যে বদলায় না তা নয়। নতুন নতুন পর্যবেক্ষণ তত্ত্বকেও বদলে দিতে পারে এমনকি বাতিল করে… বাকি অংশ

হাইপোথিসিস কি?

বিজ্ঞানের নানা আলোচনায় সূত্র, তত্ত্ব, হাইপোথিসিস বা প্রকল্পের কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। অনেকসময় এদের একই মনে হলেও আসলে তা নয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রথম ধাপ হচ্ছে হাইপোথিসিস, অনেকে একে শিক্ষিত লোকের অনুমানও বলে থাকেন। তবে এর সাথে জড়িয়ে থাকে পর্যবেক্ষণ এবং অতীতে অর্জিত জ্ঞান। কোন ঘটনা নজরে আসার পর সেটির একটি ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন হয়।… বাকি অংশ

সূত্র কি?

বিজ্ঞানের আলোচনায় সূত্র বা Law হচ্ছে ঘটনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি বিবরণ। যেমন নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: এখানে, m1, একটি বস্তুর ভর m2, অন্য একটি বস্তুর ভর r, বস্তু দু’টির মধ্যকার দূরত্ব G, মহাকর্ষ ধ্রুবক F, বস্তু দু’টির মধ্যকার আকর্ষণ বল সপ্তদশ শতকে বিজ্ঞানী নিউটন সূত্রটি দিয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন মহাবিশ্বের সবকিছুই পরস্পরকে… বাকি অংশ

বিএমআই (BMI) বা বডি মাস ইনডেক্স কি?

স্থূলতা ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, স্ট্রোকসহ নানা ঝুঁকি তৈরি করে। তাই কেউ স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন কিনা সেটি নির্ধারণ করতে  বিশেষ এক ধরনের পরিমাপ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় যেটি বিএমআই (BMI) বা বডি মাস ইনডেক্স নামে পরিচিত। বি এম আই (BMI) নির্ণয় কিলোগ্রামে নির্ণয় করা ওজনকে (ভর) মিটারে নির্ণয় করা উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করতে হবে। ওজন ও… বাকি অংশ

আইসোটোন কি?

যে সব পরমাণুর (নিউক্লাইডের) প্রোটন সংখ্যা আলাদা কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা একই তাদের পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়। 36S, 37Cl, 38Ar, 39K এবং 40Ca পরস্পরের আইসোটোন। এদের সবার নিউক্লিয়াসে ২০ টি করে নিউট্রন রয়েছে যদিও এদের প্রোটন সংখ্যা যথাক্রমে ১৬, ১৭, ১৮, ১৯ এবং ২০। আইসোটোন আলাদা মৌলের পরমাণু। আরও দেখুন: আইসোটোপ… বাকি অংশ

আইসোবার কি?

যে সব পরমাণুর (নিউক্লাইডের) প্রোটন সংখ্যা আলাদা কিন্তু তাদের প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি সমান তাদের আইসোবার বলা হয়। পরমাণুর পরিচয় প্রোটন সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। আইসোবারের প্রোটন সংখ্যা আলাদা হওয়ায় এরা আলাদা মৌলের পরমাণু কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি বা ভরসংখ্যা সমান। গ্রিক আইসোস (isos) অর্থ সমান আর বারোস (baros) অর্থ ওজন। কাজেই আইসোবার শব্দের… বাকি অংশ

সানবার্ন বা রোদে ত্বক পুড়ে যায় কেন?

আলট্রাভায়োলেট বি সানবার্নের জন্য দায়ী, এটি DNA সহ জীবকোষের বিভিন্ন অংশের ক্ষতি করতে পারে। তবে ওজোন স্তর আলোট্রাভায়োলেট বি এর ৯৫ ভাগকে আটকে দেয়ার মাধ্যমে আমাদের অনেকটাই নিরাপদ রাখে।  বিষুবীয় এলাকায় যে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি পাওয়া যায় তার ৫ ভাগ আলট্রাভায়োলেট বি এবং ৯৫ ভাগ আলট্রাভায়োলেট এ। আলট্রাভায়োলেট বি এর বিরুদ্ধে দেহের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে ত্বকের… বাকি অংশ

সানবাথ বা সূর্যস্নান কি?

সূর্যের আলোয় থাকা আলট্রাভায়োলেট রশ্মির প্রভাবে চামড়ার বর্ণ গাঢ় করে নেয়ার যে চর্চা প্রচলিত তাই সানবাথ বা সূর্যস্নান; এটি সান ট্যানিং হিসেবেও পরিচিত। পরিমিত সূর্যস্নান ত্বকে মেলানিন এবং ভিটামিন ডি এর উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু অতিরিক্ত সূর্যালোক সানবার্ন এবং ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে আসতে পারে। সানবাথের জন্য সূর্যের… বাকি অংশ