বিভাগ: বিজ্ঞান

পৃথিবীর গতি ধীর হয়ে আসা: যখন ২১ ঘণ্টায় একদিন ছিল পৃথিবীতে

নদী মোহনায় তলদেশ জমে থাকা পলির ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দেখে ৬২০ মিলিয়ন বছর আগে দিনের দৈর্ঘ্য ২১ ঘণ্টা ছিল বলে মনে করা হয়। কেবল ২১ ঘণ্টার দিন নয়, বিজ্ঞানীরা মনে করেন শুরুর দিকে পৃথিবীতে হয়ত ৬ ঘণ্টার দিনও ছিল। পৃথিবীর ঘূর্ণন ধীর হয়ে আসার এ ধারা এখনো চালু আছে। পারমাণবিক ঘড়ির হিসেব অনুযায়ী আধুনিককালে দিনের দৈর্ঘ্য… বাকি অংশ

লিপ সেকেন্ড

৩৫৬ দিনের বছরে একদিন যোগ করা হয় আর বছরটিকে বলা হয় লিপ ইয়ার, দিনটিকে বলা হয় লিপ ডে। এরকম লিপ সেকেন্ডও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা যখন প্রয়োজন মনে করেন এক সেকেন্ড যোগ করে দেন এটিই লিপ সেকেন্ড। লিপ ইয়ার বা লিপ ডে কবে হবে সেটি আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে কিন্তু লিপ সেকেন্ড কবে হবে তা বলা যায়… বাকি অংশ

লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের কথা

প্রতি চার বছরে একবার ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে ধরা হয় যেটি লিপ ইয়ার নামে পরিচিত আর দিনটিকে বলা হয় লিপ ডে। হিজরি ক্যালেন্ডারের মত চান্দ্রবর্ষ অনুসরণ করে চলা ক্যালেন্ডার প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে না। যে কারণে কখনো গ্রীষ্মে আর কখনো শীতে ঈদ উৎসব পালন করতে হয়। কিন্তু সৌরবছরের ক্ষেত্রে এমনটি হয় না। এর কারণ… বাকি অংশ

মস্তিষ্ক সম্পর্কে বিস্ময়কর কয়েকটি তথ্য

প্রায় তিন পাউন্ড ওজনের মস্তিষ্ক আমাদের চিন্তা, শিখন, সৃষ্টিশীলতা, আবেগ-অনুভূতি থেকে শুরু করে চোখের পলক ফেলা, শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃৎস্পন্দন প্রতিটি কাজ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখে। এর বিস্ময়কর ক্ষমতার কারণে অনেক সময় একে মহাবিশ্বে এযাবতকালে আবিষ্কৃত সবচেয়ে জটিল জিনিস হিসেবেও অভিহিত করা হয়। এই মস্তিষ্ক সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য: সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের চেয়ে শক্তিশালী ধরুন কোন ছোট শিশু আপনার… বাকি অংশ

ভারী পানি বা ভারী জল

এক কথায় সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর বদলে হাইড্রোজেনের আরেকটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম দিয়ে পানির অণু গঠিত হলে তাকে ভারী পানি বলা হয়। অক্সিজেনের একটি পরমাণুর সাথে দু’টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমন্বয়ে পানির অণু তৈরি হয়। হাইড্রোজেনের কোন ধরণের পরমাণু দিয়ে পানি তৈরি হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের তিন ধরনের পরমাণু বা আইসোটোপ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে: প্রোটিয়াম- কেন্দ্র বা… বাকি অংশ

বজ্র নিরোধক দণ্ড

বজ্রপাতের উচ্চ মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহ অনেক সময় ৪০০ কিলো অ্যাম্পিয়ার ছাড়িয়ে যায়। এত উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ প্রবহের ফলে তাপমাত্রা ৫০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ২৭,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এই প্রচণ্ড উত্তাপে আগুণ ধরে যেতে পারে, মানুষসহ জীবজন্তু মারা যেতে পারে। বাড়িঘরের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও বজ্রপাতের ফলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বজ্রপাত থেকে বাড়ি-ঘর সুরক্ষিত রাখতে যে ব্যবস্থাগুলো… বাকি অংশ

বিমানে বজ্রপাত

আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাতের কারণের দিকে তাকালে দেখা যায় বিমানে বজ্রপাত কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। যাত্রীবাহী বিশাল বিমানগুলোকে মেঘমালার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। মেঘের দু’টি অংশের মধ্যে বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্যের মাত্রা বেড়ে গেলে বজ্রপাত হয় আর এ সময় দু’টি মেঘের মাঝখানে কোন বিমান থাকলে সেটিতে বজ্র বিদ্যুৎ আঘাত হানতে পারে। অনেক সময় বিমানের উপস্থিতিই… বাকি অংশ

পৃথিবীর চৌম্বক মেরুর উল্টে যাওয়া

চুম্বক কম্পাসের উত্তর মেরু আজ পৃথিবীর উত্তর মেরু নির্দেশ করলেও চিরকাল এ অবস্থা থাকবে না। একদিন দেখা যাবে চুম্বক কম্পাসের উত্তর মেরু পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু নির্দেশ করছে। শুনতে অবাক মনে হলেও এটিই সত্যি। যে পৃথিবীকে বিশাল একটি চুম্বকের সাথে তুলনা করা হয় তার চৌম্বক মেরু এ পর্যন্ত ১৭০ বার অবস্থান বদলেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা… বাকি অংশ

পৃথিবীর চুম্বকত্ব বা ভূ-চুম্বকত্ব

ষোড়শ শতকের শেষ দিকে বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেন আমাদের পৃথিবী নিজেই বিশাল একটি চুম্বকের মত আচরণ করে। চুম্বকের বিপরীত মেরু যেমন পরস্পরকে আকর্ষণ করে তেমনি পৃথিবীর মেরু দু’টিও মুক্তভাবে ঝুলে থাকা চুম্বকের মেরু দু’টিকে আকর্ষণ করে। যেন পৃথিবীর ভেতরে বিশাল একটি দণ্ড চুম্বক বসানো রয়েছে। পৃথিবীর এ চৌম্বক ধর্ম জাহাজের নাবিকদের খুব কাজে এসেছিল। তারা চুম্বক… বাকি অংশ

ভরের আপেক্ষিকতা

দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা ভরকে ধ্রুব হিসেবে দেখেই অভ্যস্ত। এক কেজি লোহা কখনো দুই কেজি হবে না। যা বদলায় তা হচ্ছে ওজন। মহাশূন্যে মানুষ ওজনহীন অনুভব করে কিন্তু ভর যা ছিল তাই থাকে। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইনের দেয়া আপেক্ষিক তত্ত্ব অন্য অনেক কিছুর মত ভরের ধারণাকেও বদলে দেয়। এ তত্ত্ব অনুযায়ী ভরও আপেক্ষিক। অর্থাৎ এক কেজি… বাকি অংশ