বিভাগ: পদার্থবিজ্ঞান

মৌলিক রং কি এবং যে কারণে রঙিন ছাপায় মৌলিক রং আলাদা

মৌলিক রং তো তিনটি: লাল, সবুজ আর নীল। কিন্তু প্রিন্টারে রঙিন প্রিন্ট নেয়ার জন্য যে তিন ধরনের রং থাকে তা হচ্ছে: গাঢ় গোলাপি, হলুদ এবং সায়ান বা সবুজাভ নীল। মৌলিক রঙের ধারণাটি কি এখানে প্রযোজ্য নয়? তড়িৎচুম্বক তরঙ্গের পাল্লা গামা রশ্মি থেকে শুরু করে বেতার তরঙ্গ পর্যন্ত হলেও কেবল যে অংশটুকু দেখতে পাই তাকেই আমরা… বাকি অংশ

রেডিও কার্বন ডেটিং

অমুক দেশের তমুক জায়গায় ম্যামথ বা বিশাল কোন প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর ফসিল পাওয়া গেছে যার বয়স এত বছর, এমন খবর মাঝেমধ্যেই গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়। কিন্তু কিভাবে ফসিলের বয়স নির্ণয় করেন বিজ্ঞানীরা? ফসিলের বয়স নির্ণয়ের এ কাজটি করে দেয় রেডিও কার্বন ডেটিং। এক কথায় এটি মৃত জীবদেহের বয়স নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি। শুধু মৃত জীবদেহ নয়, কাঠ, কাপড়… বাকি অংশ

এক্স-রে

আলোর কণা তত্ত্বকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছিল ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট বা আলোর তড়িৎক্রিয়া। যেখানে ফোটন কণিকার আঘাতে ধাতুপৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন বেরিয়ে আসে। অন্যভাবে বললে ফোটন কণিকা ইলেকট্রনকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। এ সংক্রান্ত গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন আইনস্টাইন। এরপরই যে প্রশ্নটি উঠতে শুরু করে তা হচ্ছে, বিপরীত আলোক তড়িৎক্রিয়া বা ইনভার্স ফটোইলেকট্রিক… বাকি অংশ

ইনফ্রারেড রশ্মি বা অবলোহিত আলো

কোন কিছু কম বোঝাতে সাধারণত ইনফ্রা (infra-) প্রিফিক্স বা উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়। তাই ইনফ্রারেড অর্থ দাঁড়ায় লালের চেয়েও কম। দৃশ্যমান আলোগুলোর মধ্যে লাল আলোর কম্পাংক সবচেয়ে কম। ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলোর কম্পাংক তার চেয়েও কম। খালি চোখে দেখা না গেলেও অন্ধকারে ছবি তোলা, টেলিভিশনের মত যন্ত্রপাতির রিমোট কন্ট্রোলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে চলেছি… বাকি অংশ

কেন আমরা আলোর চেয়ে দ্রুত বেগে ছুটতে পারি না?

সুপারম্যান যেভাবে বুলেটের চেয়ে দ্রুতবেগে পেছন থেকে ছুটে গিয়ে বুলেটকে থামিয়ে দেয় সেটিকে আমরা নিউটনীয় পদার্থবিজ্ঞান বলতে পারি। কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার যে বিশেষ তত্ত্ব নিয়ে আসেন তার একটি স্বীকার্য ছিল, শূন্যস্থানে এবং বায়ুমাধ্যমে সকল পর্যবেক্ষকের কাছে আলোর বেগ সমান। আলোর উৎস এবং পর্যবেক্ষকের বেগ আলোর বেগকে প্রভাবিত করতে পারে না। অন্যকথায় আলোর চেয়ে… বাকি অংশ

ভারী পানি বা ভারী জল

এক কথায় সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর বদলে হাইড্রোজেনের আরেকটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম দিয়ে পানির অণু গঠিত হলে তাকে ভারী পানি বলা হয়। অক্সিজেনের একটি পরমাণুর সাথে দু’টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমন্বয়ে পানির অণু তৈরি হয়। হাইড্রোজেনের কোন ধরণের পরমাণু দিয়ে পানি তৈরি হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের তিন ধরনের পরমাণু বা আইসোটোপ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে: প্রোটিয়াম- কেন্দ্র বা… বাকি অংশ

বজ্র নিরোধক দণ্ড

বজ্রপাতের উচ্চ মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহ অনেক সময় ৪০০ কিলো অ্যাম্পিয়ার ছাড়িয়ে যায়। এত উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ প্রবহের ফলে তাপমাত্রা ৫০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ২৭,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এই প্রচণ্ড উত্তাপে আগুন ধরে যেতে পারে, মানুষসহ জীবজন্তু মারা যেতে পারে। বাড়িঘরের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও বজ্রপাতের ফলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বজ্রপাত থেকে বাড়ি-ঘর সুরক্ষিত রাখতে যে ব্যবস্থাগুলো… বাকি অংশ

বিমানে বজ্রপাত

আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাতের কারণের দিকে তাকালে দেখা যায় বিমানে বজ্রপাত কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। যাত্রীবাহী বিশাল বিমানগুলোকে মেঘমালার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। মেঘের দু’টি অংশের মধ্যে বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্যের মাত্রা বেড়ে গেলে বজ্রপাত হয় আর এ সময় দু’টি মেঘের মাঝখানে কোন বিমান থাকলে সেটিতে বজ্র বিদ্যুৎ আঘাত হানতে পারে। অনেক সময় বিমানের উপস্থিতিই… বাকি অংশ

পৃথিবীর চৌম্বক মেরুর উল্টে যাওয়া

চুম্বক কম্পাসের উত্তর মেরু আজ পৃথিবীর উত্তর মেরু নির্দেশ করলেও চিরকাল এ অবস্থা থাকবে না। একদিন দেখা যাবে চুম্বক কম্পাসের উত্তর মেরু পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু নির্দেশ করছে। শুনতে অবাক মনে হলেও এটিই সত্যি। যে পৃথিবীকে বিশাল একটি চুম্বকের সাথে তুলনা করা হয় তার চৌম্বক মেরু এ পর্যন্ত ১৭০ বার অবস্থান বদলেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা… বাকি অংশ

পৃথিবীর চুম্বকত্ব বা ভূ-চুম্বকত্ব

ষোড়শ শতকের শেষ দিকে বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেন আমাদের পৃথিবী নিজেই বিশাল একটি চুম্বকের মত আচরণ করে। চুম্বকের বিপরীত মেরু যেমন পরস্পরকে আকর্ষণ করে তেমনি পৃথিবীর মেরু দু’টিও মুক্তভাবে ঝুলে থাকা চুম্বকের মেরু দু’টিকে আকর্ষণ করে। যেন পৃথিবীর ভেতরে বিশাল একটি দণ্ড চুম্বক বসানো রয়েছে। পৃথিবীর এ চৌম্বক ধর্ম জাহাজের নাবিকদের খুব কাজে এসেছিল। তারা চুম্বক… বাকি অংশ